ডালিম চাষ পদ্ধতি - ১ বিঘায় ৩ লক্ষ টাকা আয়
*ডালিম চাষ পদ্ধতি - ১ বিঘায় ৩ লক্ষ টাকা আয় | Pomegranate Cultivation in Bangladesh 2026*
বর্তমানে বাংলাদেশে ডালিম চাষ অত্যন্ত লাভজনক। এক বিঘা জমিতে ডালিম চাষ করে বছরে ২-৩ লক্ষ টাকা আয় করা সম্ভব। আমাদের দেশের আবহাওয়া ডালিম চাষের জন্য খুবই উপযোগী।
*১. জমি ও মাটি নির্বাচন:*
ডালিম চাষের জন্য দো-আঁশ ও বেলে দো-আঁশ মাটি সবচেয়ে ভালো। জমিতে যেন পানি না জমে। pH মাত্রা ৫.৫ থেকে ৭.০ হলে সবচেয়ে ভালো ফলন হয়।
*২. জাত নির্বাচন:*
বাংলাদেশে সবচেয়ে জনপ্রিয় জাতগুলো হলো - ভগোয়া, গণেশ, ডালিম সুপার, এবং মৃদুলা। ভগোয়া জাতের ডালিম বাজারে সবচেয়ে বেশি চাহিদা, কারণ এর দানা নরম ও মিষ্টি।
*৩. চারা রোপণের সময় ও নিয়ম:*
জুন থেকে আগস্ট মাস চারা লাগানোর সেরা সময়। চারা থেকে চারা দূরত্ব ৩ মিটার x ৩ মিটার রাখতে হবে। ১ বিঘায় প্রায় ১২০-১৩০ টি চারা লাগানো যায়। গর্তের সাইজ ৬০x৬০x৬০ সেমি করতে হবে।
*৪. সার প্রয়োগ:*
প্রতি গাছে বছরে ২০ কেজি গোবর সার, ২৫০ গ্রাম ইউরিয়া, ২৫০ গ্রাম টিএসপি এবং ২৫০ গ্রাম এমওপি দিতে হবে। ফুল আসার সময় বোরন স্প্রে করলে ফল ঝরা কমে।
*৫. সেচ ও পরিচর্যা:*
গ্রীষ্মকালে ১০-১২ দিন পর পর সেচ দিতে হবে। বর্ষাকালে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা রাখতে হবে। নিয়মিত আগাছা পরিষ্কার করতে হবে। ডাল ছাঁটাই করলে গাছে আলো বাতাস ভালো পায় এবং ফলন বাড়ে।
*৬. রোগবালাই দমন:*
ডালিমের প্রধান শত্রু ফল ছিদ্রকারী পোকা। এর জন্য সাইপারমেথ্রিন গ্রুপের ওষুধ ১০ দিন পর পর স্প্রে করতে হবে।
*৭. ফলন ও আয়:*
চারা লাগানোর ১.৫ থেকে ২ বছরের মধ্যে ফল আসে। একটি গাছে ৩য় বছরে ২০-২৫ কেজি ফল দেয়। বর্তমান বাজারে ১ কেজি ডালিম ৩০০-৪০০ টাকা। তাহলে ১ বিঘায় ১২০টি গাছ x ২০ কেজি = ২৪০০ কেজি। দাম ৩০০ টাকা হলেও আয় ৭,২০,০০০ টাকা!
*শেষ কথা:* ডালিম চাষে পরিশ্রম কম কিন্তু লাভ বেশি। আপনি যদি নতুন উদ্যোক্তা হন, তবে ২০ শতক জমি দিয়ে শুরু করুন। সরকারি হর্টিকালচার থেকে মাত্র ১০০ টাকায় চারা পাবেন।আরো জানতে চাইলে আামাদের েেে হবির বাড়ি অনলাইন বাজারে ফলোদেনপজজ

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন